Description
বাংলার মন্দির কেবল ইট-পাথরের ধর্মীয় স্থাপত্য নয়, বরং তা সমকালীন আর্থসামাজিক পরিবর্তনের এক জীবন্ত ও সচল দলিল। এই গ্রন্থটি প্রথাগত আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যার উর্ধ্বে গিয়ে মন্দিরের প্রেক্ষাপটকে বিচার করেছে রাজনৈতিক ক্ষমতা, জাতিভেদ প্রথা এবং অর্থনৈতিক প্রতিপত্তির নিরিখে। আঞ্চলিক ইতিহাসের অসম্পূর্ণতা এবং জনশ্রুতির সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে লেখক এখানে অনুসন্ধান করেছেন সেই গূঢ় উদ্দেশ্যগুলো, যা অনেক সময় মূলধারার ইতিহাসচর্চায় ব্রাত্য থেকে গেছে। মাহেশের রথযাত্রা থেকে দক্ষিণেশ্বরের মন্দির স্থাপন কিংবা বীরভূমের নিভৃত গ্রামের শিবমন্দির- প্রতিটি নির্মাণের পেছনে কাজ করেছে এক জটিল ক্ষমতার সমীকরণ। কলকাতার নব্য ধনতন্ত্রের উদয় কীভাবে মফস্সলের মন্দিরে প্রভাব ফেলেছিল কিংবা জাতিভেদের লড়াই কীভাবে নতুন স্থাপত্যের জন্ম দিয়েছিল, এই বইয়ে তার ব্যখ্যা করেছেন। মন্দিরের কারিগর, অর্থায়ন এবং প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে থাকা পেশাগত ও রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে বিশ্লেষণ করে লেখক দেখিয়েছেন কীভাবে একেকটি মন্দির মূক ইতিহাসের বাত্ময় অধ্যায় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।





Reviews
There are no reviews yet.