Description
১৮ শতকের বাঙালি অভিধান থেকে শুরু করে ১৯৩০-এর দশকের গুণ্ডা দমন আইন পর্যন্ত বিস্তৃত এই গবেষণায় উন্মোচিত হয় কেমন করে ‘গুণ্ডা’ শব্দটি একদিকে অপরাধ, আরেকদিকে ঔপনিবেশিক শাসনের সামাজিক নিয়ন্ত্রণের প্রতীক হয়ে উঠেছিল। শ্রমিক আন্দোলন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে গুণ্ডারা কখনও বিদ্রোহের সৈনিক, কখনও শাসনের হাতিয়ার- এই দ্বৈত ভূমিকা বইটিকে এক নতুন রাজনৈতিক পাঠে পরিণত করেছে। ব্রিটিশ প্রশাসন “গুণ্ডা” ধারণাকে ব্যবহার করেছে নগর নিয়ন্ত্রণের অস্ত্র হিসেবে- একদিকে দমননীতি, অন্যদিকে সামাজিক শৃঙ্খলার নামে ভয়ের রাজনীতি। নারীরাও এই জগতের অংশ ছিল। তাঁদের অনেকেই ছিলেন শ্রমজীবী পাড়া, পতিতালয়, কিংবা দরিদ্র বস্তির সামাজিক বাস্তবতায় গড়ে ওঠা নারী, যারা নিজেদের টিকে থাকার লড়াইয়ে প্রশাসন ও সামাজিক নৈতিকতার সীমা অতিক্রম করতেন। কেউ ছিলেন স্থানীয় বাহুবলীর সহযোগী, কেউ আবার নিজস্ব ‘গ্যাং’ নিয়ন্ত্রণ করতেন। ‘গুণ্ডা’ কেবল অপরাধবৃত্তির ইতিহাস নয়; এটি ব্রিটিশ শাসনের সামাজিক কাঠামো, ধর্মীয় বিভাজন, শ্রেণি ও লিঙ্গ রাজনীতি এবং শহুরে আধুনিকতার নেপথ্যের সহিংসতার এক গভীর বিশ্লেষণ।





Reviews
There are no reviews yet.