Description
হ্যারির কাছে ফাইনাল ম্যাচের আগে এসেছিল বিশেষ একজনের ফোন। সেই মানুষটার ফোন, যাঁর মুখটা সেদিন দেখতে পায়নি কিশোরী জেমি। শৈশবে শেফালিও বাবার কাঁধে চড়ে গিয়েছিল সেই মানুষটাকেই দেখতে!
২ নভেম্বর, ২০২৫। নবি মুম্বইয়ের ডি.ওয়াই পাটিল স্টেডিয়াম। ভারতের মেয়েরা এখানে তৈরি করতে চলেছে এক ইতিহাস। হ্যারি, জেমি, শেফালির সঙ্গে রয়েছে স্মৃতি-দীপ্তি-রিচারাও।
কিন্তু শুধুই কি এগারো জন মেয়ে খেলছে এই ম্যাচে? সঙ্গে কি সে দিন খেলেনি প্রত্যাশা?
জেমি যখন ভারতকে ফাইনালে তুলল, কেন প্রত্যাশাকে দিতে হল চাকরি থেকে রেজিগনেশন? একা একজন মেয়েকে তার পরে বেরিয়ে পড়তে হল নিরাপত্তার নিশ্চিত আশ্রয় ছেড়ে সম্পূর্ণ এক অচেনা বৃত্তে?
একা প্রত্যাশাই নয়, ফাইনালের প্রেক্ষাপটে কীভাবে মিশেজুলে ছিল মিল-ঝুল জুটি? ইন্ডিয়া ব্লেজারের দিকে তাকিয়ে কেন চোখের জলে ভেসেছিল কেয়া পাতার নৌকো?
হ্যারি অ্যান্ড কোম্পানির লড়াইয়ে মিশেছিল নিরুপমা থেকে সাজিদারাও। হ্যারির হাতে বিশ্বকাপ প্রলেপ দিল কাদের যুগ যুগ টাটকা হয়ে থাকা অগ্নিগদ্ধ ক্ষতে?
‘দুয়োরানির দুনিয়া জয়’ যেন বারবার ফিরিয়ে আনল সেই সব মেয়েদের, যাঁরা একদিন বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখেছিল।





Reviews
There are no reviews yet.