Description
সালটা ২০০০। তারা বাংলার হাত ধরে টেলিভিশন সাংবাদিকতায় সবে আমার হাতে খড়ি। বড় কর্তাদের নির্দেশ এল পুজো পরিক্রমা করতে হবে। দূরদর্শন ছাড়া টিভি চ্যানেল বলতে তখন শুধু তারা বাংলা আর ই টিভি। আগের ছ’টা বছর খবরের কাগজে চাকরি করেছি তাও বামপন্থী দৈনিক। পুজো পরিক্রমার কোন ধারণাই আমার কেন, টেলিভিশনের প্রায় কোন সাংবাদিকের ছিল না। শুরু করলাম হোমওয়ার্ক, ঠাকুর দেখতে যেতাম ফলে ক্লাবগুলোকে চিনতাম। কিন্তু চিনতাম না এই পুজোগুলোর পেছনের আসল কারিগরদের। কাঁথির আধিপত্য তখন শহর জুড়ে, তারই মাঝে আর্ট কলেজ পাস করা কিছু দামাল যুবকের পাশাপাশি নন আর্ট কলেজ-এর কিছু শিল্পী আপন খেয়ালে সাজানো শুরু করেছেন মন্ডপ। যা এখন থিম পুজো হিসাবে পরিচিত। সেই যুগে তাদের খুঁজে পাওয়া তো দুরস্ত, কোন পুজোর কে আসল কর্মকর্তা তাদের নাম ধাম ঠিকানা ফোন নম্বর (তখনও মোাবাইল সর্বজনীন হয়নি) জোগাড় করতে পারা মানে জ্যাকপট পাবার সামিল। রোজকার অ্যাসাইমেন্টের পর পাড়ায় পাড়ায় ঢু মারতে শুরু করলাম। ক্রমশ আলাপ করতে শুরু করলাম সেই সব মানুষদের সঙ্গে যারা না থাকলে আজ কলকাতার দুর্গা উৎসব এই জায়গায় পৌঁছত না। সময়ের স্রোতে বন্ধুত্বের তালিকায় যোগ হতে শুরু হল এক এক জন শিল্পীর নাম, যাদের মধ্যে আজ অনেকেই দুর্গা উৎসবের মেগাস্টার বা সুপারস্টার।





Reviews
There are no reviews yet.