Description
কাশীর অপর নাম ‘অবিমুক্ত’ (যা কখনো পরিত্যক্ত হয় না)। এই অনন্য আধ্যাত্মিক মহিমার কারণেই যুগ যুগ ধরে কাশীকে মোক্ষধাম হিসেবে গণ্য করা হয়ে আসছে।
এই মুক্তি ক্ষেত্র বা অবমুক্ত ক্ষেত্রের নানান কাহিনী বলা হয়েছে স্কন্দপুরাণে। সনাতন ধর্মের বিশাল শাস্ত্রসমুদ্রে ‘কাশীখণ্ড’ এক উজ্জ্বল রত্ন। স্কন্দপুরাণের অন্তর্গত এই গ্রন্থটি মূলত সংস্কৃত ভাষায় রচিত, যার মহান রূপকার স্বয়ং কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস। সংস্কৃতের গাম্ভীর্য আর তাত্ত্বিক জটিলতায় আবৃত এই বিশাল ধর্মগ্রন্থের মাহাত্ম্য সাধারণ পাঠকের কাছে পৌঁছানো সবসময়ই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। মূলত, মূল সংস্কৃত গ্রন্থের বিশালতা এবং ভাষার দুর্ভেদ্য প্রাচীর অতিক্রম করে একে সহজবোধ্য বাংলায় রূপান্তর করা এক অত্যন্ত শ্রমসাধ্য ও দুরূহ কাজ।
বর্তমান সংকলনটি সেই কঠিন লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ‘সারানুবাদ’ হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো—মূল গ্রন্থের পবিত্রতা ও আধ্যাত্মিক নির্যাস অক্ষুণ্ণ রেখে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের উপযোগী করে একে পাঠকদের দরবারে পরিবেশন করা।




