Description
“দুবাইয়ের একটা স্কুলে একটা মজার অথচ অদ্ভুত এক্সপেরিমেন্ট করা হয়েছিল। সমান গ্রোথের দুটো মানি প্ল্যান্টকে পাশাপাশি দুটো ঘরে রাখা হয়েছিল। দুটো মানি প্ল্যান্টই সমান রোদ্দুর পেত। তাদের একই সময়ে জল আর সাপ্লিমেন্ট দেওয়া হত। কিন্তু একটা প্ল্যান্টকে স্টুডেন্টরা এসে গালাগালি দিত, নেগেটিভ কথা বলত, যেমন ‘তুই খারাপ’, ‘তোর কোনো গ্রোথ হবে না’, ‘তুই একটা আগাছা’, ‘তুই সমাজের অমঙ্গল করিস’, ‘কেউ তোকে ভালোবাসে না’, ‘তোর কোনো ভবিষ্যৎ নেই’, ‘তুই মরে যা’, ইত্যাদি প্রভৃতি। অপরদিকে আরেকটা প্ল্যান্টকে সমানে পজিটিভ কথা বলা হত। যেমন, ‘তোমার মতো করেই তুমি বেড়ে ওঠো’, ‘তুমি সুন্দর’, ‘তুমি সবুজ’, ‘তোমাকে যত দেখি, তত আনন্দ পাই’, ‘তুমি জগতকে নতুনত্বে ভরিয়ে দিচ্ছ’, ‘জগতকে অক্সিজেন দিচ্ছ তুমি’, ‘তোমার মতো ভালো আর হয় না’, ইত্যাদি ইত্যাদি। “এক মাস পরে দেখা গেল, যে প্ল্যান্টটাকে নেগেটিভ কথা শোনানো হয়েছিল, সে নেতিয়ে পড়েছে, পাতা শুকিয়ে গেছে, প্রায় মৃত্যুপথযাত্রী। আর যে প্ল্যান্টটিকে পজিটিভ কথা শোনানো হয়েছিল, সে সুন্দরভাবে আরও পাতাসহ বেড়ে উঠেছে। “একটা প্ল্যান্টের ওপরেই যদি এই এফেক্ট হয়, তাহলে বুঝতেই পারছেন, একটা মানুষের ওপরে কেমন এফেক্ট পড়তে পারে?” “একটা প্ল্যান্টের ওপরেই যদি এই এফেক্ট হয়, তাহলে বুঝতেই পারছেন, একটা মানুষের ওপরে কেমন এফেক্ট পড়তে পারে? তাই ডামোলার সামনে যতটা সম্ভব পজিটিভ কথা বলবেন। আশা করি বিষয়টাকে ক্লিয়ার করতে পেরেছি?” ইফেডে অবাক হয়ে অর্কর এক্সপ্ল্যানেশন শুনল। রাজনীতি, সাইকোলজি, অতিপ্রাকৃত ছায়া, পারিবারিক সম্পর্ক – সব মিলে অর্ক সমগ্র ৪ হল তিনটি দমবন্ধ করা কাহিনির সংকলন। রহস্য শুধু বাহ্যিক ঘটনা নয়… তা মানুষের মনের ভেতরই লুকিয়ে থাকে।




